THEME MODE
Light
Dark
TEXT SIZE
100%

সিকিমের বন্যার জেরে, তিস্তা এলাকার কৃষকদের চোখে জল!

October 10, 2023 Reading...
মঙ্গলবার রাত্রের সিকিমের মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টি ও হরপা বানের তিস্তার জলে গ্রাস করলো প্রায় কয়েক হাজার বিঘা জমির ফসল, সহ ঘরবাড়ি। চোখেজল কৃষকদের, সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় লক্ষ লক্ষ টাকারও বেশি।

মঙ্গলবার রাত্রে সিকিমের চুংথাম বাঁধ ভেঙে ভয়ংকর আকার নিয়েছে তিস্তা। নদীতে প্রবল জলোচ্ছ্বাস। আর সেই তিস্তার জল ও পলি গ্রাস করলো গজলডোবা সংলগ্ন নথুয়াচর এলাকার প্রায় কয়েক হাজার জমির ফসল সহ বাড়ি ঘর। যেখানে থাকার কথা ধান, পাঠ, করলা ও নানান ফসল গুলি, সেখানে জমে রয়েছে প্রায় হাঁটু প্রযন্ত শুধুই পলি।


জলপাইগুড়ি জেলার গজলডোবা সংলগ্ন, নাথুয়া চর এলাকার স্থানীয় কৃষকরা জানান, আমরা মূলত লোন নিয়ে চাষ আবাদ করি। তিস্তার জল ও পলি এসে সব কিছুই স্থব্ধ করে দিল। ফসলগুলি শুধুই এবারের প্রথম ভাগে উঠিয়ে বিক্রির সময় হয়েছিল, আর ধানও পেকে গিয়েছিল শুধুই কাটার অপেক্ষায় ছিল, তবে তিস্তার জল ও পলি এসে সবকিছুই শেষ করে দিল।


ধানের জমিতে জমে রয়েছে প্রায় হাঁটু প্রযন্ত পলি, কোথাও আবার তার থেকেও বেশি। আর যেসব জমিতে ধানের শীষ দেখা যাচ্ছে সেগুলোও প্রায় নষ্ট। ধান এবং বাঁধাকপি, লঙ্কা, করলা, লাউ, ঝিঙ্গা, আরো অন্যান্য সবজি মিলিয়ে প্রায় ৫ হাজার বিঘা'রও বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকারও বেশি। সব কিছুই প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে, ঘর বাড়ির মধ্যেও ঢুকে রয়েছে প্রায় হাঁটু প্রযন্ত পলি। এমনকি খাওয়ার জলের কুয়োতেও ঢুকে গিয়েছে তিস্তার জল ও পলি, তাই পানীয় জল নিয়ে আসতে হচ্ছে প্রায় অনেকটা দুর থেকে। এখনো ভেঙে রয়েছে কিছু বাঁধ। চলাচল করার রাস্তায় জমে রয়েছে প্রায় হাঁটু প্রযন্ত জল আর পলি। সব মিলিয়ে আমরা এখন দিশেহারা, অনেক লোন নিয়ে আমরা চাষ করি! এখন এই লোন কি করে শোদ করবো তা ভেবে পাচ্ছি না। সেনা বাহিনীর সামগ্রী পরে থাকার আশঙ্কায়, সরকারি ভাবে তিস্তার চর এলাকা গুলিতে যাওয়া বারণ রয়েছে।

সরকার থেকে প্রশাসনের অধিকারীক অন্যান্য জায়গায় পরিদর্শনে আসলেও আমাদের এখানে এখনও কোনো প্রশাসনিক অধিকারীক আসেনি। আমরা চাই প্রশাসনের অধিকারীক এসে আমাদের পরিস্থিতি দেখুক, এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিক।