THEME MODE
Light
Dark
TEXT SIZE
100%

শীতের শেষ সময়ে গজলডোবায় দেখা মিললো পরিযায়ী পাখিদের

February 22, 2024 Reading...
শীতের শেষ সময়ে অবশেষে গজলডোবা তে দেখা মিললো পরিযায়ী পাখি দের । সেই পাখি দেখতে ভিড় জমিয়েছে পাখি প্রেমী রা।শীতের শুরুতেই প্রত্যেক বছর গজলডোবার তিস্তা ব্যারেজে আসে পরিযায়ী পাখি।উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জলাশয়ের মতো গজলডোবা তিস্তা ব্যারেজে বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এসে হাজির হয় । তবে এ বছর শীতের শেষের দিকে পরিযায়ী পাখিরা এসেছে।

প্রসঙ্গত ,গত বছরের অক্টোবর মাসে সিকিমের ভয়াবহ রদ বিপর্যয়ের পর বেড়েছিল তিস্তার জলস্তর। গজলডোবার বিস্তীর্ণ এলাকায় পড়ে যায় পলি ও বালিশ স্তর। প্রচুর আবর্জনা ও ভেসে আসে এর ফলে অপরিষ্কার জলে পরিযায়ী পাখিরা আসেনি । শীতের শুরুতে গজডোবা থেকে মুখ ফিরিয়ে উড়ে গিয়েছিল জলঢাকা নদীতে। অবশেষে তিস্তার জল পরিষ্কার হতেই শীতের শেষের দিকে আসতে শুরু করেছে পরিযায়ী পাখি। প্রত্যেক বছরের মত গজলডোবায় পরিযায়ী পাখিরা আসতেই ভিড় জমিয়েছে পর্যটকেরা।

পাখি প্রেমে বিশ্বজিৎ দাস বলেন, শীত শুরু হতেই বিভিন্ন প্রজাতির রুডি শেলডাক, রিভার ল্যাপউইং সহ নানা ধরনের অতিথি পাখি আসে।এবারও এসেছে তবে অনেকটাই দেরিতে। তবে এ বছর রেড ক্রেস্টেড পোচার্ড, গ্রেট ক্রেস্টেড গ্রেবী, ট্রুফটেফ ডাক,রুডি শেলডাক এই প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এসেছে। পরিযায়ী পাখিরা মূলত মঙ্গোলিয়া, তিব্বত, দক্ষিণ আফ্রিকা, সাইবেরিয়া সহ অন্যান্য দেশ থেকে আসে।শীত কমে যাওয়ার সাথে সাথে তারাও ফিরে যায় তাদের দেশে।শীত যত বারে পরিযায়ী পাখির সংখ্যাও বাড়ে। তবে এবারে শীত অনেকটাই কমে এসেছে তাই আর পাখি বেশিদিন এখানে থাকবে না আর কোন পরিযায়ী পাখিও আসার সম্ভাবনা নেই এমনটাই জানিয়েছেন পরিবেশপ্রেমী সুকুমার রায়।তবে কয়েকদিনে পরিযায়ী পাখিরা দেখতে ভিড়ও বাড়িয়েছে পর্যটকদের। তবে এই বিষয়ে বেলাকোবা রেঞ্জ অফিসার চিরঞ্জিত পাল বলেন আমরা অফিসে লিয়ে এখনো সেভাবে রিসার্চ করিনি। তবে কিছু পর্যায়ে র পাখি এসেছে, সম্পূর্ণ অফিসিয়াল রিসার্চ করলেই ঠিকঠাক বলতে পারবো।