THEME MODE
Light
Dark
TEXT SIZE
100%

বৃহস্পতিবার ভারত বনধ: কী খোলা, কী বন্ধ? বাংলায় প্রভাব পড়বে কি? জানুন খুঁটিনাটি

February 11, 2026 Reading...
Bharat Bandh 12 February 2026, ভারত বনধ, West Bengal Strike News Today, Trade Union Strike.
খবর বঙ্গ ডেস্ক: ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চের ডাকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ভারত বনধ (Bharat Bandh) পালিত হতে চলেছে। এই ধর্মঘটে সংহতি জানিয়েছে একাধিক কৃষক সংগঠনও। মূলত নতুন শ্রম আইন বাতিল, বেসরকারীকরণ রোধ এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কেন এই বনধের ডাক?

আন্দোলনকারীদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের আনা চারটি নতুন শ্রম আইনে শ্রমিকদের অধিকার খর্ব হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হলে দেশীয় কৃষি ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সূত্রের খবর। এই বিষয়গুলি নিয়েই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে দেশব্যাপী এই ধর্মঘটের আয়োজন করা হয়েছে।

কী কী পরিষেবা প্রভাবিত হতে পারে?

ধর্মঘটের জেরে সাধারণ জনজীবনে যে প্রভাবগুলি পড়তে পারে, তা নিচে দেওয়া হলো:
ব্যাঙ্ক পরিষেবা: একাধিক ব্যাঙ্কিং ইউনিয়ন এই ধর্মঘটে অংশ নেওয়ায় শাখা স্তরে চেক ক্লিয়ারেন্স বা নগদ লেনদেনে বিলম্ব হতে পারে। তবে অনলাইন ট্রানজ্যাকশন এবং এটিএম পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে।

পরিবহণ: রাস্তা অবরোধ বা বিক্ষোভের জেরে বাস, ট্যাক্সি ও অটো চলাচল আংশিক ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দফতর ও বাজার: সরকারি অফিসগুলিতে উপস্থিতির হার কিছুটা কম থাকতে পারে। বড় শহরের কিছু বাজার ও দোকানপাট আংশিক প্রভাবিত হতে পারে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: স্কুল-কলেজ বন্ধের কোনও নির্দিষ্ট নির্দেশ নেই। তবে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
কোন কোন পরিষেবা সচল থাকবে?

জরুরি পরিষেবাকে বনধের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে: হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স এবং জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা সচল থাকবে। বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হবে। বিমানবন্দর ও ট্রেন পরিষেবা সচল রাখার চেষ্টা করা হবে। অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ও জরুরি প্রশাসনিক কাজ চালু থাকবে।

বাংলায় বনধের প্রভাব

পশ্চিমবঙ্গে এই বনধের মিশ্র প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন রাজ্য প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে, জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেহেতু বর্তমান রাজ্য সরকার বনধের সংস্কৃতির বিরোধী, তাই সরকারি পরিবহণ সচল থাকবে বলেই জানা যায়। তবে বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনগুলি পিকেটিং করলে কিছু জায়গায় যানজট বা সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।