THEME MODE
Light
Dark
TEXT SIZE
100%

সুইসাইড নোটে উঠে এল কোরিয়ান আসক্তি ও পারিবারিক যন্ত্রণার চাঞ্চল্যকর তথ্য

February 05, 2026 Reading...
Ghaziabad triple suicide, Ghaziabad sisters suicide, K-pop obsession suicide, Sahibabad crime news, Korean culture obsession.
গাজিয়াবাদ, উত্তরপ্রদেশ: উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ (Ghaziabad) জেলার সাহিবাবাদ (Sahibabad) এলাকায় এক চরম মর্মান্তিক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, বুধবার ভোরে একটি বহুতল আবাসন থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে তিন বোন। মৃতদের নাম নিশিকা (১৬), প্রাচী (১৪) এবং পাখি (১২)। সূত্রের খবর, মৃতরা দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্কৃতি (Korean Culture) তথা কে-পপ (K-Pop) ও কে-ড্রামার প্রতি মারাত্মকভাবে আসক্ত ছিল। তাদের মরদেহের কাছ থেকে একটি সুইসাইড নোট ও ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে লুকিয়ে রয়েছে মৃত্যুর আগের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বিবরণ।

কী লেখা ছিল সুইসাইড নোটে?

পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে (Suicide Note) মৃত তিন বোন তাদের বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছে। ডায়েরির পাতায় পাতায় কোরিয়ান অভিনেতা এবং কে-পপ ব্যান্ডের প্রতি তাদের অগাধ ভালোবাসার কথা উল্লেখ রয়েছে। সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, "কোরিয়ান সংস্কৃতিই ছিল আমাদের জীবন... তোমরা বুঝতে পারোনি আমরা তাদের কতটা ভালোবাসতাম। আজ তার প্রমাণ পেলে।" তবে শুধুমাত্র কোরিয়ান আসক্তিই নয়, পারিবারিক চাপ ও শারীরিক নির্যাতনের দিকেও ইঙ্গিত করা হয়েছে ওই নোটে। সেখানে লেখা ছিল, "আমরা কি শুধু মার খাওয়ার জন্যই জন্মেছি? না... মার খাওয়ার চেয়ে মৃত্যুই অনেক ভালো।" এদিন তদন্তকারীরা জানান, মৃতরা ভারতের সংস্কৃতিতে বিয়ে করার বিষয়টিকে মেনে নিতে পারছিল না বলেই প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে।

ঘটনার তদন্তে পুলিশ

গতকাল অর্থাৎ বুধবার ভোরে সাহিবাবাদের একটি আবাসনের নয় তলার বারান্দা থেকে ঝাঁপ দেয় ওই তিন কিশোরী। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহগুলি উদ্ধার করে। গাজিয়াবাদ পুলিশ (Ghaziabad Police) জানিয়েছে, ঘটনাটির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু হয়েছে। সুইসাইড নোটটির সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঠিক কী কারণে এমন চরম পদক্ষেপ নিল ওই তিন নাবালিকা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।