THEME MODE
Light
Dark
TEXT SIZE
100%

অনলাইন গেমের মরণফাঁদ! গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী ৩ বোন, চাঞ্চল্য

February 04, 2026 Reading...
Online Game Addiction, Ghaziabad Suicide News, Three Sisters Suicide, Shalimar Garden Ghaziabad, Task-based Online Game. অনলাইন গেমের নেশা, গাজিয়াবাদে আত্মহত্যা, তিন বোনের মৃত্যু, খবর বঙ্গ, আজকের খবর।
AI Image By: KhabarBanga
গাজিয়াবাদ: অনলাইন গেমের (Online Game) নেশা যে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তার এক মর্মান্তিক নজির তৈরি হলো উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে। বুধবার ভোরে একটি বহুতল আবাসনের ৯ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করল তিন নাবালিকা বোন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইন গেমে আসক্তি এবং তা নিয়ে পারিবারিক অশান্তির জেরেই এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। মৃতদের বয়স যথাক্রমে ১২, ১৪ এবং ১৬ বছর বলে জানা গিয়েছে।

ঠিক কী ঘটেছিল?

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে গাজিয়াবাদের শালিমার গার্ডেন (Shalimar Garden, Ghaziabad) এলাকায়। বুধবার রাত আনুমানিক ২টো নাগাদ আবাসনের বাসিন্দারা হঠাৎ ভারী কিছু আছড়ে পড়ার শব্দ শুনতে পান। তড়িঘড়ি বাইরে বেরিয়ে তাঁরা দেখেন, নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে তিন বোন। এদিন খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তাদের উদ্ধার করে লোনির একটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

নেপথ্যে কি 'টাস্ক-বেসড' গেম?

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনার মূল কারণ হলো অনলাইন গেমের প্রতি তীব্র আসক্তি। জানা যায়, মৃত তিন বোনই একটি নির্দিষ্ট 'টাস্ক-বেসড' (Task-based online game) গেমে আসক্ত ছিল। গত কয়েক বছর ধরে তাদের এই প্রবণতা বাড়তে থাকায় তারা নিয়মিত স্কুলেও অনিয়মিত হয়ে পড়েছিল। গেম খেলা নিয়ে বাড়িতে বকুনি বা মতবিরোধের জেরেই তারা এই গণ-আত্মহত্যার (Mass Suicide) পথ বেছে নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

পুলিশি তদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষা

শালিমার গার্ডেনের এসিপি (ACP) অতুল কুমার সিং জানান, "রাত সোয়া দুটো নাগাদ আমরা খবর পাই। পুলিশ দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ স্পষ্ট হবে।" তবে ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।

তদন্তের স্বার্থে মৃতদের মোবাইল ফোনগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তারা ঠিক কোন গেম খেলত এবং মৃত্যুর আগে কার সঙ্গে চ্যাট বা কথোপকথন হয়েছিল, তা জানার জন্য ফোনগুলি ফরেনসিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ।