THEME MODE
Light
Dark
TEXT SIZE
100%

১২ ফেব্রুয়ারি ভারত বনধ: অফিস না এলে কাটা যাবে বেতন, সরকারি কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি নবান্নের

February 11, 2026 Reading...
Bharat Bandh 12 February, West Bengal Government Strike Notification, Nabanna Strike circular. সরকারি কর্মীদের বেতন কাটা, ১২ ফেব্রুয়ারি ভারত বনধ, WB Govt Employees Leave Cancelled, Labour Code Protest.
কলকাতা: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে ডাকা হয়েছে ভারত বনধ (Bharat Bandh)। কেন্দ্রের শ্রম সংস্কার ও অর্থনৈতিক নীতির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির এই ধর্মঘটের ডাক ঘিরে এবার কড়া অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নের (Nabanna) অর্থ দফতর থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ধর্মঘটের দিন সরকারি কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
জানা গিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতর এবং সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি খোলা থাকবে। ওই দিন কোনও কর্মীকে ক্যাজুয়াল লিভ (CL) বা অন্য কোনও ছুটি দেওয়া হবে না। এমনকি অর্ধদিবস ছুটির আবেদনও মঞ্জুর করা হবে না বলে সূত্রের খবর। এদিন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকলে ওই দিনটিকে 'ডাইজ-নন' (Dies Non) হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বেতন কাটা যাবে।

ছাড় মিলবে কোন ক্ষেত্রে?

তবে মানবিক কারণে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে ছাড় দেওয়া হতে পারে। জানা গিয়েছে, কোনো কর্মী হাসপাতালে ভর্তি থাকলে, পরিবারের নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু হলে বা ১১ ফেব্রুয়ারির আগে থেকেই গুরুতর অসুস্থতার কারণে ছুটিতে থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে। এছাড়াও মাতৃত্বকালীন ছুটি, শিশু পরিচর্যা ছুটি বা আগে থেকে অনুমোদিত মেডিক্যাল লিভ থাকলে বেতন কাটা হবে না। তবে সেক্ষেত্রে যথোপযুক্ত প্রমাণপত্র বা নথি জমা দেওয়া আবশ্যক।

শোকজ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

নবান্নের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ওইদিন যারা অফিসে আসবেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানের পক্ষ থেকে 'শোকজ' (Show-cause) নোটিস জারি করা হবে। সন্তোষজনক উত্তর না মিললে নেওয়া হতে পারে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। এই সমস্ত প্রক্রিয়া আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করে অর্থ দফতরে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রের নতুন চারটি শ্রম আইন (Labour Codes) এবং বিলগ্নিকরণের প্রতিবাদে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ট্রেড ইউনিয়নগুলি। তাঁদের দাবি, প্রায় ৩০ কোটি শ্রমিক এই বনধে শামিল হতে পারেন, যার ফলে ব্যাঙ্ক ও পরিবহণ ব্যবস্থা সচল রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে ধর্মঘটের দিন রাজ্যবাসীকে পরিষেবা দিতে এবং সরকারি কাজ সচল রাখতে অনড় প্রশাসন।