THEME MODE
Light
Dark
TEXT SIZE
100%

যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও স্বাভাবিক দেশের LPG সরবরাহ, ২.৫ দিনেই মিলবে গ্যাস সিলিন্ডার

March 12, 2026 Reading...
LPG Cylinder Booking, রান্নার গ্যাস, Gas Cylinder Delivery Time, LPG Price India, LPG Subsidy, West Asia War Impact on Fuel.
খবর বঙ্গ ব্যুরো: পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির (West Asia Conflict) জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রভাব পড়লেও, ভারতের আমজনতার জন্য স্বস্তির খবর শোনাল কেন্দ্র সরকার। রান্নার গ্যাসের জোগান নিয়ে কোনো রকম আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, বর্তমানে দেশে LPG Cylinder বুক করার গড় আড়াই দিনের মধ্যেই তা উপভোক্তার বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে।

স্বাভাবিক রয়েছে সরবরাহ ব্যবস্থা

বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার কারণে অনেক দেশেই রান্নার গ্যাসের হাহাকার দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও হোম ডেলিভারি পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তবে এদিন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে অযথা আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। প্রয়োজন ছাড়া আগেভাগে বুকিং না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, বর্তমানে সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং গড় ডেলিভারি টাইম ২ থেকে ৩ দিন।

ভারত তার প্রয়োজনীয় এলপিজির প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানি করে। গালফ বা উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনার ফলে আমদানিতে প্রভাব পড়ার ভয় থাকলেও, সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর। জানা গিয়েছে, দেশীয় ক্ষেত্রে LPG উৎপাদন ২৫% পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই জোগানে ঘাটতি না হয়। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের (Ministry of Petroleum and Natural Gas) মতে, ভুল তথ্যের কারণে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বেশি বুকিং করছেন, যা কাম্য নয়।

বুকিংয়ের নিয়মে বড় বদল

সরবরাহ ব্যবস্থা মসৃণ রাখতে এবং কালোবাজারি রুখতে LPG Booking Rules-এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এখন থেকে একটি সিলিন্ডার ডেলিভারি পাওয়ার পর পরবর্তী বুকিংয়ের জন্য কমপক্ষে ২৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে। আগে এই সময়সীমা ছিল ২১ দিন। মূলত সিলিন্ডার মজুত করা বন্ধ করতে এবং প্রকৃত গ্রাহকদের কাছে দ্রুত গ্যাস পৌঁছে দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভারত সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ

আন্তর্জাতিক সংকট সত্ত্বেও ভারতে যাতে জ্বালানি সংকট না হয়, তার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে:
  • বিভিন্ন দেশ থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি বৃদ্ধি।
  • বিকল্প রুটের মাধ্যমে জ্বালানি পরিবহন নিশ্চিত করা।
  • দেশীয় রিফাইনারিগুলোতে উৎপাদন বাড়ানো।
এদিন সরকারের তরফে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, দেশে গ্যাসের কোনো আকাল নেই। তাই গ্রাহকদের অযথা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত বুকিং না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।