THEME MODE
Light
Dark
TEXT SIZE
100%

Lunar Eclipse 2026: ৩ মার্চ বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ! কলকাতা ও উত্তর-পূর্ব ভারতে দীর্ঘতম

March 01, 2026 Reading...
Total Lunar Eclipse 2026, Blood Moon India Time, Chandra Grahan 2026 Kolkata Timing, Lunar Eclipse 3 March 2026, ব্লাড মুন ২০২৬, পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ সময়সূচি।
নিজস্ব প্রতিবেদন, কলকাতা: আগামী ৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে ভারত। এদিন আকাশপ্রেমীরা দেখতে পাবেন বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। গ্রহণের সময় চাঁদ একটি বিশেষ লালচে আভা ধারণ করবে, যাকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় ‘ব্লাড মুন’ (Blood Moon) বলা হয়। সূত্রের খবর, ২০২৯ সালের আগে এই ধরনের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ আর দেখা যাবে না, যার ফলে এবারের এই ঘটনাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এদিন চন্দ্রগ্রহণের মূল প্রক্রিয়া শুরু হবে বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে এবং শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে। তবে, ভারতের বিভিন্ন শহরে চন্দ্রোদয়ের সময় আলাদা হওয়ায় শহরভেদে গ্রহণের স্থায়িত্ব ও দৃশ্যমানতার সময় ভিন্ন হবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে এবং পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে, তখনই এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হয়।

জানা গিয়েছে, কলকাতায় এদিন বিকেল ৫টা ৪৩ মিনিটে চন্দ্রোদয় হবে এবং সেখানে প্রায় ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এই গ্রহণ দেখা যাবে। দেশের অন্যান্য শহরের সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো:
  • দিল্লি: সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে চন্দ্রোদয় হবে, দেখা যাবে প্রায় ২৫ মিনিট।
  • লখনউ: সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিটে শুরু হয়ে প্রায় ৪৫ মিনিট দৃশ্যমান থাকবে।
  • পাটনা: বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে শুরু হয়ে প্রায় ৫১ মিনিট দেখা যাবে।
  • বেঙ্গালুরু: সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে চন্দ্রোদয় হবে এবং মাত্র ১৪ মিনিট গ্রহণ দেখা যাবে।
  • হায়দ্রাবাদ: সন্ধ্যা ৬টা ২৬ মিনিটে শুরু হয়ে ২০ মিনিট দেখা যাবে।
  • কানপুর: সন্ধ্যা ৬টা ১৪ মিনিটে শুরু হয়ে ৩২ মিনিট দৃশ্যমান থাকবে।
  • চেন্নাই ও ভোপাল: সন্ধ্যা ৬টা ২১ মিনিটে শুরু হয়ে প্রায় ২৫-২৬ মিনিট দেখা যাবে।
জানা গিয়েছে, উত্তর-পূর্ব ভারতের শহরগুলিতে এই ‘ব্লাড মুন’ সবথেকে বেশি সময় ধরে উপভোগ করা যাবে। শিলংয়ে ১ ঘণ্টা ১৯ মিনিট, ইম্ফলে ১ ঘণ্টা ২৮ মিনিট এবং ইটানগরে ১ ঘণ্টা ২৭ মিনিট পর্যন্ত এই গ্রহণ স্থায়ী হবে। ২০২৬ সালের এই প্রথম চন্দ্রগ্রহণ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন মহাকাশ বিজ্ঞানের অনুরাগী ও সাধারণ মানুষ।